এক দিন এক ভীক্ষুক আসল বিশ্ব নবী(সাঃ) এর কাছে এসে ভীক্ষা চাইল বিশ্ব নবী(সাঃ) ভীক্ষুকে বল ঐ ঘরে এক জন লোক বসা আছে তার কাছে যাও তাকে সালাম দাও আর বল আমি তোমাকে পাঠাইছি সেই যেন তোমাকে কিছু ভীক্ষা দে, ঐ ভীক্ষুক যায় দেখে লোক টি পিপাঁড়ার মুক তেকে গম কেরে নিচ্ছে ভীক্ষুটি এই অবস্তা দেখে পিরে যায় বিশ্ব নবী (সাঃ)কে বলল আপনি আমাকে কার কাছে পাঠাইলেন যেই নাকি পিঁপাড়ার মুক তেকে গম কেরে লয় সেই কি আমাকে ভীক্ষা দিবে এই রখম ক্রিপন লোক আমি জীবনে দেখি নাই। বীশ্ব নবী (সাঃ) এই কথা শুনার পর বলল তুমি আবার যাও তাকে আমি যেই ভাবে বলছি সেই ভাবে বল, ভীক্ষুক টি মন না চাইলে ও বীশ্ব নবী (সাঃ) কথায় আবার গেল এই বার যায় দেখল ভীক্ষুক এই লোকের বাড়ীর মধ্যে অনেক গুলু ওটের বোঝা বহন নিয়ে বিরাট কাপেলা আসতেছে ভীক্ষুক যায় তাকে সালাম দিল

এবং বলল আমাকে আপনার কাছে বিশ্ব নবী (সাঃ) পাঠাইয়াছে আমাকে কিছু ভীক্ষা দিতে বললেন এই কথা শেষ হতে না হতে কাপেলার সর্দার এসে লোক টিকে বলল মালিক এবার আমাদের ব্যাবসা ভাল হয়েছে আমরা প্রচুর রিয়াল আয় করেছি, সব উট লাইন দরে বুঝা বহন অবস্তায় দাঁড়ানো আছে, তখন লোক টি ভীক্ষুক কে বলল এই খানে ১০০ উট আছে তোমার যেই টা পছন্দ তুমি নিয়ে যাও ভীক্ষুক লোক টির কথা শুনে খুশি হয়ে দেখল আগে যেই উটি দাড়াঁনো সেই টা বেশ মোটা তাজা বুঝা বড় ভীক্ষুক ঐ টার গলার রশি দরে যখন টানা শুরু করল এই উটের পিচে পিচে সব উট চলতে লাগল এই অবস্তা দেখে তারা তারি ঐ লোক টিকে তার কাজের লোকে বলতেছে মালিক আপনার সব উট এই ভীক্ষুকের উটের সাথে চলে যাচ্ছে সমস্ত ধন সম্পদ লয় তখন লোকটি বলল সব উট ভীক্ষুকের উটের পিচে যেতে দাও এই সব তার এই উটের পিচনে যত সম্পদ যায় যেতে দাও এই ভীক্ষুক আমার কাছে বিশ্ব নবী (সাঃ)পাঠাইয়াছেন। এই কথা শুনে ভীক্ষুক এসে লোক টিকে বলল আমি মনে করেছিলাম আপনি এক জন ক্রিপন লোক আমি দেখলাম আপনি পিঁপাড়ার মুক তেকে গম কেরে নিতেছ আর এখন প্রচুর ধন সম্পদ আমাকে দিয়ে দিচ্ছ এর কারন কি , তখন লোক টি বলল তুমি টিক দেখেছ আমি জনগনের চাকরি করি এই গম জনগনের এই পিঁপাড়ারা এই গম নিয়ে গেলে জনগনের হক জনগনের মাল আমি আর কি পাহারা দিলাম কাল কিয়ামতের ময়দানে আমি আসামি হব তাই জনগনের মাল পিঁপাড়ার মুকু থেকে কেরে নিছি, আর এই গুলু আমার মাল আমি ছারা কার হক নাই আমার ইচ্ছা মত আমি খরচ করতে পারব তাই আল্লাহ নবী তোমাকে আমার কাছে পাঠাইয়াছে তাই আমার মন ভরে খুশি হয়ে ভীক্ষা দিলাম, এই লোক হচ্ছে বাইতুল মালের দ্বায়ীতে থাকা বিশ্ব নবীর প্রিয় সাহাবী হযরত উসমান(রাঃ

মুসা নবীর সাথে ইবলিশ শয়তানের সাক্ষাৎকার

নবী করিম (দ) বলেন, একদা পাপিষ্ঠ
ইবলিশ,হযরত মূসা (আঃ) নবীর নিকট উপস্থিত হয়ে বলতে লাগলঃ ‘হে মূসা (আঃ) নবী আপনাকে আল্লাহ তা’য়ালা রিসালত ও নবুয়তের সম্মানে ভূষিত করেছেন, আপনার সাথে সরাসরি কথা বলেছেন।’ হযরত মূসা (আঃ) বললেন, তা অবশ্যই ; কিন্তু তোমার উদ্দেশ্য কি? তুমি আমার কাছে কি চাও? এবং তুমি কে?’ ইবলিশ বললো, -‘হে মূসা ! আপনি আপনার প্রভুর কাছে বলুন যে, আপনার একজন মাখলুক তওবা করতে চায়।’ তখন আল্লাহ তা’য়ালা মূসা (আঃ) এর নিকট ওহী প্রেরণ করলেনঃ ‘হে মূসা! তুমি তাকে বলে দাও যে, আল্লাহ তা’য়ালা তোমার দরখাস্ত শ্রবণ করেছেন। অতঃপর তাকে হুকুম কর, সে যেন আদম এর মাজারে সম্মুখে রেখে সিজদা করে। যদি সে এভাবে সিজদা করে নেয়, তা হলেও আমি তার কবূল করে নিবো এবং তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিবো।

‘ হযরত মূসা (আঃ) ইবলীসকে এ কথা জানালে সে
ক্রোধে অগ্নিশর্মা হয়ে গেল এবং দম্ভের সাথে বলতে লাগল, ‘হে মূসা ! আমি আদমকে জীবিত থাকতে সিজদা করি নাই, এখন তার মৃত্যুর পর আমি তাকে সিজদা করতে পারি না।’ * এক রেওয়াতে বর্ণিত আছে, – আল্লাহ তা’য়ালা ইবলীশকে এক লক্ষ বৎসর পর পর দোযখ হতে বাহিরে আনয়ন করবেন এবং হযরত আদাম (আঃ) কে ও বাহিরে আনা হবে। অতঃপর তাকে সিজদা করার হুকুম করা হবে। তখনও বার বার ইবলিশ তা করতে অস্বীকার করবে। এভাবে পুনঃ পুনঃ জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। ( ইবনে কাসীর,১১৬২, ইবনে মাজা- ৭৩৪৮) * আল্লাহ আমাদের সবাইকে বুঝার
তৌফিক দান করুক….আমিন

নিজেদের গড়া মূর্তি ভেঙ্গে ১৬০০ পরিবারের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ (ভিডিও)

একই গ্রামের ১৬০০ পরিবার ধর্ম পরিবর্তন করে হিন্দু থেকে মুসলিম হন আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুক বুজার তৌফিক দান করুক আমিন…!

Comments

comments

SHARE