১. জাফরানে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্ত চাপ ও হৃদপিণ্ডের সমস্যা জনিত রোগ দূর করে।

২. হজমে সমস্যা এবং হজম সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে জাফরান।

৩. জাফরানের পটাশিয়াম আমাদের দেহে নতুন কোষ গঠন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কোষ সারিয়ে তুলতে সহায়তা করে।

৪. জাফরানের নানা উপাদান আমাদের মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে, এতে করে মানসিক চাপ ও বিষণ্ণতা জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷

৫. মেয়েদের মাসিকের অস্বস্তিকর ব্যথা এবং মাসিক শুরুর আগের অস্বস্তি দূর করতে জাফরানের জুড়ি নেই।

৬. নিয়মিত জাফরান সেবনে শ্বাস প্রশ্বাসের নানা ধরণের সমস্যা যেমন অ্যাজমা,পারটুসিস, কাশি এবং বসে যাওয়া কফ দূর করতে সহায়তা করে।

৭. জাফরানের ক্রোসিন নামক উপাদানটি অতিরিক্ত জ্বর কমাতে সহায়তা করে।

৮. জাফরানের রয়েছে অনিদ্রা সমস্যা দূর করার জাদুকরী ক্ষমতা। ঘুমোতে যাওয়ার আগে গরম দুধে সামান্য জাফরান মিশিয়ে পান করলে অনিদ্রা সমস্যা দূর হবে।

৯. সামান্য একটু জাফরান নিয়ে মাড়িতে ম্যাসেজ করলে মাড়ি,দাঁত এবং জিহ্বার নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব৷

১০. গবেষণায় দেখা যায় জাফরান দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে এবং চোখের ছানি পড়া সমস্যা প্রতিরোধে কাজ করে৷

১১. জাফরানের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান বাতের ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, মাংস পেশির ব্যথা এবং দুর্বলতা দূর করতে অব্যর্থ ঔষুধ৷

১২. অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে সামান্য একটু খানি জাফরান৷
১৩. জাফরানের ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আছে৷

১৪. জাফরান দেহের কলেস্টোরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

১৫. মস্তিস্কের গঠন উন্নত করতে জাফরানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জাফরান স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তা ক্ষমতা উন্নত করে৷এছাড়াও আলজাইমার এবং পার্কিনসন রোগ থেকে দূরে রেখে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে বাঁচায়৷

১৬. কিডনি, যকৃৎ এবং মুত্রথলির রোগ থেকে মুক্তি দেয় জাফরান৷

১৭. যষ্ঠিমধু এবং দুধের সঙ্গে জাফরান মিশিয়ে মাথায় লাগালে চুল পড়া বন্ধ হয় এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে৷

১৮. পুরুষত্বহীনতা, অকাল বীর্যপাত ও লিঙ্গ উথান সমস্যা দূর করে সুস্থ যৌনজীবন দেয় জাফরান৷

১৯. টিউমারের রোধ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে৷

২০. ত্বকে ঔজ্বল্য বাড়ায় এবং বলিরেখা দূর করতে সহায়তা করে৷

আমলকীর গুরুত্বপূর্ণ ২০টি উপকারিতা জানলে আপনি উপকৃত হবেন

১) আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

২)এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

৩) আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৪) এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৫) আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকীর আচার হজমে সাহায্য করে।

৬) প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৭)আমলকীর রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।

৮) আমলকী চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৯) এছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।

১০) আমলকীর টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

১১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।

১২) কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকী অনেক উপকারী।

১৩) ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকীর জুস উপকারী।

১৪) শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে।

১৫) এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকীর আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।

১৬) শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

১৭) লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

১৮) এর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র্যাডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি র্যাডিকালস।

১৯) সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে।

২০) ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

এজমালী সম্পত্তি হস্তান্তর করার নিয়ম ?

বাবার অবর্তমানে উত্তরাধিকারীসূত্রে সন্তানেরা তাঁর যে সম্পত্তির মালিক হয়, তাই এজমালী সম্পত্তি হিসেবে পরিচিত। এই সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে রয়েছে সুনির্দিষ্ট আইন।

জেনে নিন এজমালী সম্পত্তি হস্তান্তরের নিয়মঃ
———————————————-
যখন কোন এজমালী সম্পত্তি তার অংশীদারগণ হস্তান্তর করে কিন্তু হস্তান্তর দলিলে কার কতটুকু হিস্যা হস্তান্তর করলো, তার উল্লেখ যদি না করে, তখন তাদের সকলের অংশের পরিমাণ সমান হলে, হস্তান্তর সকলে অংশের উপর সমানভাবে কার্যকরী হবে। কিন্তু সকলের অংশের পরিমাণ সমান না হলে, প্রত্যেকের অংশ অনুসারে আনুপতিক হারে কার্যকরী হবে।

এ নিয়মটি সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৭ ধারায় বিস্তারিতভাবে দেয়া আছে। ধরা যাক, ভাই বোন সকলে মিলে একটা সম্পত্তি দলিল মূলে হস্তান্তর করলো কিন্তু বিক্রেতার কার কতটুকু অংশ তা দলিলে উল্লেখ করা হলো না।

এক্ষেত্রে আইনের সাধারণ বিধান অনুযায়ী সকলের অংশ সমান হওয়ার কথা। কিন্তু সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৭ ধারা মোতাবেক ভাই বোনের অংশের পরিমাণ হবে ২:১ অর্থাৎ বোনের অংশ ভাইয়ের অর্ধেক। দলিলে এটা উল্লেখ করা না হলেও অংশের পরিমাণ উক্তরূপ আনুপাতিক হারেই বলবৎ হবে।

সময়ের দিক থেকে যে ব্যক্তি প্রথম, স্বত্বের ক্ষেত্রেও যে প্রথম হবে:
——————————————————————
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪৮ ধারায় এ অগ্রাধিকারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। যদি কোন ব্যক্তির কোন স্থাবর সম্পত্তি বিভিন্ন সময়ে হস্তান্তর করে একই সম্পত্তির উপর একাধিকর স্বত্ব সৃষ্টি করে থাকে, তাহলে এই স্বত্বগুলো একই সঙ্গে অবস্থান করতে বা প্রযোজ্য হতে পারে না।

বিপরীত কোন চুক্তি না থাকলে, সর্বপ্রথম সৃষ্ট স্বত্ব অপর স্বত্বগুলো উপর অগ্রাধিকার লাভ করবে। ধরা যাক, একই সম্পত্তি কয়েকজন ব্যক্তির বরাবরে হস্তান্তর করা হয়েছে। এক্ষেত্রে যার দলিলটি আগে সম্পাদিত হয়েছে, ঐ সম্পত্তিতে তার স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দলিল সম্পর্কে বর্তমান ধারাটি হিন্দু অথবা মুসলমান আইনের বিধানকে ক্ষুণ্ন বা বিঘ্নিত করে না। বর্তমান ধারার বিধান হতে দেখা যায় যে, এই সম্পত্তি সম্পর্কে দুটি রেজিস্ট্রীকৃত দলিলের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা চলছে অর্থাৎ যে দলিলটি সময়ের দিক হতে পূর্বে সম্পাদিত হয়েছে, তা পরের দলিলের উপর অগ্রাধিকার লাভ করবে। যদিও পরের দলিলটি রেজিস্ট্রীকৃত না হওয়া পর্যন্ত তা অর্থাৎ আগের দলিলটি রেজিস্ট্রীকৃত হয়নি।

জনস্বার্থে প্রচারিত।

Comments

comments

SHARE