আমরা দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন কআজ কর্ম নিয়ে চিন্তিত থাকি।এর ফলে রক্তচাপ কমে যাওয়া, লো প্রেসার, লো ব্লাড প্রেসার কিংবা নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে অনেকেই চিন্তিত থাকেন। তবে নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে অযথা বা অতিরিক্ত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কেননা এটা উচ্চ রক্তচাপের চেয়ে কম ক্ষতিকর ও স্বল্পমেয়াদী সমস্যা। পেসার নিয়ে এখনও আমাদের মাঝে অনেক ভুল ধারনা আছে।তাইতো অনেকেই মনে করেন দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারীরাই নিম্ন রক্তচাপে ভুগে থাকেন। এটা সত্য নয়। মোটা মানুষেরও নিম্ন রক্তচাপ বা লো প্রেসার থাকতে পারে।

সাধারণত সিস্টোলিক রক্তচাপ ৯০ মি.মি. মার্কারি ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ ৬০ মি.মি. মার্কারির নিচে হলে তাকে নিম্ন রক্তচাপ বলা হয়।

নিম্ন রক্তচাপের কারন:
=============
কোন কারণে পানি শুন্যতা হওয়া।
ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া।
খাবার ঠিকমতো বা সময়মত না খাওয়া।
ম্যাল অ্যাবসরবশন বা হজমে দুর্বলতা।
কোন দীর্ঘমেয়াদী রোগের আক্রান্ত থাকা।
শরীরে হরমোনজনিত ভারসাম্যহীনতা।
রক্তশুন্যতা।
কোন কারনে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ।

নিম্ন রক্তচাপের লক্ষণ:
===========
মাথা ঘোরা
বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে শারীরিক ভারসাম্যহীনতা
হঠাৎ জ্ঞান হারানো
অস্বাভাবিক দ্র“ত হৃদস্পন্দন

চিকিৎসা:
=====
লো ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপের কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। নিম্ন রক্তচাপের উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে। যদি শরীরে পানি শূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন রক্তচাপ হয় তাহলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই লো প্রেসার ঠিক হয়ে যায়। তবে যাদের দীর্ঘ মেয়াদী নিম্ন রক্তচাপ আছে তাদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

নিম্ন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয়:
==================
নিম্ন রক্তচাপের ভুক্তভোগীরা অনেকক্ষণ একই স্থানে বসে বা শুয়ে থাকবেন না।
অনেকক্ষণ ধরে বসে বা শুয়ে থাকার পর উঠার সময় সাবধানে ও ধীরে ধীরে উঠুন।
ঘন ঘন হালকা খাবার খান। বেশি সময় খালি পেটে থাকলে রক্তচাপ আরো কমে যেতে পারে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।
খাবার সময় পাতে এক চিমটি করে লবণ খেতে পারেন।
দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় গ্লুকোজ ও স্যালাইন রাখুন।

বিঃদ্রঃ আমাদের পোস্টটি যদি আপনাদের ভাল লাগে তাহলে অন্যদের জানাতে পোস্টটি শেয়ার করুন।

থাইরয়েড হরমোন সম্পর্কে জানুন।

থাইরয়েড হরমোন যেটা গলার সামনে থাকা গ্রন্থি থেকে বের হয়।

থাইরয়েড হরমোনের কাজঃ
এটা শরীর, মস্তিষ্ক, শক্তির ও মনের স্বাভাবিক গতি ধরে রাখে। এই হরমোন কমে গেলে তাই সব দুর্বল হয়ে পড়ে আর বেড়ে গেলে তাই শরীর মন অস্থির লাগে আর গায়ে গরম লাগে।মানব দেহের অতীব প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।এই হরমোনের তারতম্য আপনার দেহের পাশাপাশি মনের ওপর প্রভাব ফেলে।

এই হরমোন বেশি হলে যে লক্ষণ হয়ঃ
*ওজন কমে যাবে
*খুব গরম লাগবে
*শরীর ঘামবে
*বুক ধড়পড় করবে
*শ্বাসকষ্ট হবে
* হাত কাঁপবে
*মন মেজাজ খুব খিটখিটে হবে
*পাতলা পায়খানা হবে
*সারাক্ষণ টেনশন লাগবে, মাসিক দেরিতে হবে
*বাচ্চা নাও হতে পারে
* হাই প্রেশার
*গলার সামনে ফুলা
*চোখ বের হয়ে আসা ইত্যাদি।

এই হরমোন কমেগেলে লক্ষণ হয়ঃ
*ওজন বাড়বে
* ঠাণ্ডা বেশি লাগবে
* শরীর দুর্বল হবে
* গায়ের চামড়া শুকনা ও খশখশে হবে
*ঘনঘন মাসিক হবে
* বাচ্চা নষ্ট হবে
* পায়খানা কষা হবে
* গলার স্বর ভেঙে যাবে
* পায়ে ব্যথা হবে
* পা ফুলে যাবে
* মানশিক সমস্যা
* হাই প্রেশার ইত্যাদি।

থাইরয়েড হরমোন সমস্যা ধরা পড়লে ভাল কোন চিকিৎসকের পরামর্শ
নিন।
পোস্টটি আপনার উপকারে এলে শেয়ার করতে পারেন৷

Comments

comments

SHARE