যদি কোন দেশের সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা কম হয় তাহলে সেই দেশ পূথিবীর অন্য যেকোন দেশ থেকে নাগরিক অনুমোদন সূত্রে নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে।

আগামী ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের ডাইভারসিটি ভিসা বা ডিভি লটারিতে অংশগ্রহনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ নেই। অথচ ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম্য ভুয়া সংবাদ দিয়ে বাংলাদেশের সাধারন মানুষের মাঝে নানা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এসব ভুয়া খবর থেকে সাবধান।

২০১৯ সালে অনুষ্ঠিতব্য ডিভি লটারিতে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, কানাডা ও যুক্তরাজ্যসহ আরও ১৭টি দেশ এই লটারি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ডিভি লটারি ২০১৯-এর আওতায় চলতি বছর লটারির মাধ্যমে মোট ৫৫ হাজার বিদেশি যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাবেন।

লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত অভিবাসীরা ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করার অনুমতি পাবেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।

তবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ১৮টি দেশের নাগরিকরা ঠিক কী কারণে চলতি বছর ডিভি লটারিতে অংশ নিতে পারবেন না, তার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি কর্তৃপক্ষের ওয়েব সাইটে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে যে সব দেশের ইমিগ্রেন্ট অপেক্ষাকৃত কম, সেই সব দেশের অভিবাসীদের বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ।

তবে ডিভি লটারি কর্তৃপক্ষ বলছে, আবদেনকারীর স্পাউস যদি ডিভি লটারির আবদেনকারী তালিকাভুক্ত দেশে জন্মগ্রহণ করে থাকেন, তাহলে স্পাউসের দেশকে নেটিভ কান্ট্রি বিবেচনা করে ডিভি লটারি ২০১৯-এর জন্য আবেদন করা যাবে। উল্লেখ্য, ব্রিটেনের আবেদনকারীরা ডিভি লটারির জন্য আবেদন করতে না পারলেও নর্দান আয়ারল্যান্ডে বসবাসকারীদের লটারিতে অংশ নিতে কোনও বাধা নেই।

Comments

comments

SHARE