পার্ক মানে বাঙালির ঐতিহ্য, বাংলার ঐতিহ্য, বলা যেতে পারে একপ্রকার ছোটখাট ভ্রমন উদ্যান। মানুষের সারাটা দিনের ক্লান্তি বেলাশেষে এই পার্ক গুলিতেই এসে শেষ হয়। পার্কগুলি সাধারন মানুষের নানান কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কখনো কখনো অফিস থেকে ফেরার পথে কয়েক মিনিট পার্কে ঢুকে জিরিয়ে নেওয়া, কখনো বা মর্নিং ওয়াকের কাজে, আর দিবস রজনী প্রেমিক যুগলদের জন্য তো বটেই।

কিন্তু সমস্যা হল এই প্রেমিক যুগলদের ঘিরে। কলকাতার সব পার্কেই কম বেশি প্রেমিক যুগল দেখা যায়। এই ঘটনা এখন আমাদের চোখে খুবই সাধারন। কিন্তু স্থানীয় পার্কের কর্মরত কর্তারা প্রায়ই অভিযোগ করেন যে ইদানিং প্রেমিক প্রেমিকারা পার্কে এসে এমন কিছু আপত্তিকর কান্ডকারখানা করেন যার ফলে পার্কের শান্তি ভঙ্গ হচ্ছে। কাছে পিঠে বা দূরদূরান্ত থেকে আসা বয়স্ক প্রবিন ব্যক্তিরা পার্কে ঘটমান সেসব দৃশ্য দেখে আপত্তি জানান নিত্য দিন। তাছাড়া বেশ কিছুজনের অভিযোগ তারা এই ধরনের দৃশ্য যাতে না দেখতে হয় সেই কারণে তারা তাদের বাচ্চাদের অবদি পার্কে আনতে ভয় পান।

তাই এই ঘটনার পর প্রশাসন তৎপর হয়ে উঠেছে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে। শুধু তাই নয় নয়া আইন পেস হয়েছে এবার থেকে পুরুষ ও মহিলা একসাথে পার্কে ঢুকতে গেলে বিবাহের প্রমান স্বরূপ ম্যারেজ সার্টিফিকেট সঙ্গে করে আনতেই হবে।

শুধু তাই নয় পার্কের মধ্যে প্রতিটা গাছ, বসার যায়গাতে মোতায়েন থাকবে পুলিশ। পার্কে নজরদারিতে থাকবে ড্রোনের নামক উড়ন্ত ক্যামেরা। এমনকি বিবাহিত রাও যদি কোনো আপত্তিজনক ঘটনা ঘটান এবং হাতে নাতে ধরা পড়েন তাহলে জরিমানা হতে পারে , এমনকি জেলও।

এক ঝলক দেখে নেওয়া যাক কলকাতার বিখ্যাত পার্কগুলি-

নিকোপার্ক

 

ইকো পার্ক

মিলেনিয়াম পার্ক

রবীন্দ্র সরোবর

প্রিন্সেপ ঘাট

এলিঅট পার্ক

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল

এছাড়াও রয়েছে আরো অসংখ্য পার্ক এবং কাপেল স্পট গুলির জন্য কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন আশা করছেন এই পদক্ষেপে পার্কের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকবে পুরদমে এবং বাকিরাও এতে সহমত প্রকাশ করেছেন পুরোদমে।

Comments

comments

SHARE