বর্তমানে মানুষ বিভিন্ন ভাবে আয় করে থাকে।তার মধ্যে অন্যতম হল অনলাইন থেকে আয়।যা আউটসোর্সিং নামে পরিচিত।অনলাইনে আপনিও আয় করতে পারবেন।এজন্য প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান।বর্তমানে আমাদের দেশের অনেকেই তার কাজের পাশাপাশি অনলাইন থেকে আয় করে থাকে।তবে এক্ষেত্রে বেশির ভাগ জরিত ছাত্র-ছাত্রীরা

পাঁচ বছরের ছোট্ট একটি ‍শিশু। নাম তার রায়ান। ছোট হলেও সে প্রতি মাসে আয় করে ১ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। অর্থাৎ টাকার অঙ্কে ৬ কোটি ৮০ লাখের মতো। আসুন জেনে নিয় কী করে এই ছোট শিশুটি আয় করে এত টাকা!

 

যেভাবে রায়ান আয় করে কোটি টাকা: ইউটিউব ওয়েবসাইটটির মাধ্যমে এ আয় করে রায়ান। রায়ান ইউটিউব বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি ভিডিও সাইট। একেবারে বিনাপয়সায় ভিডিও দেখার এবং আপলোড করার সুযোগ মেলে এতে।

সেই ওয়েবসাইটেই একটি ভিডিও চ্যানেল চালান রায়ানের মা, যে চ্যানেলের নাম রায়ান টয়েজ রিভিউ। এই চ্যানেলে ১০ মিনিটের এক একটি ভিডিও আপলোড করা হয়, যে ভিডিওগুলোর মুখ্য আকর্ষণ হচ্ছে খুদে রায়ান। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে যাত্রা শুরু করে রায়ান টয়েজ রিভিউ। রায়ানের বয়স তখন মাত্র তিন বছর।

রায়ান টয়েজ রিভিউ বর্তমানে ইউটিউবে আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় চ্যানেল। আর বিশ্বের দ্বিতীয় জনপ্রিয়তম চ্যানেল। এই চ্যানেলের ভিডিওগুলো প্রতি মাসে যে পরিমাণ দর্শক আকর্ষণ করে, তার বিজ্ঞাপন-মূল্য ১ মিলিয়ন ডলারের বেশি। অর্থাৎ বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে মাসে ৬.৮ কোটি টাকার মতো আয় করে এই চ্যানেলটি।

বর্তমানে এই ভিডিও চ্যানেলের গ্রাহকের সংখ্যা ৫৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে এই ভিডিও ইউটিউবে ৫৭ কোটি বারেরও বেশি দেখা হয়েছে।

কী থাকে এই ভিডিওগুলিতে?

কমবেশি ১০ মিনিট দীর্ঘ এই সমস্ত ভিডিওতে দেখা যায়, ছোট্ট রায়ান একটা নতুন খেলনার বাক্স নিয়ে তার ভিতর থেকে বের করছে নতুন খেলনাটি।

খেলনার বিভিন্ন অংশগুলো জুড়ে খেলনাটি তৈরি করছে এবং সেই সম্পর্কে নিজের মতামত দিচ্ছে।একেবারে বিশুদ্ধ সারল্য এবং খেলনা সম্পর্কে একটি শিশুর বিশেষজ্ঞ সুলভ মতামতের মিশ্রণে এই চ্যানেলের ভিডিওগুলো দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে সহজেই।রায়ানের মা-ই এই চ্যানেলের ভিডিওগুলো পরিচালনা ও প্রযোজনা করেন। তিনিই শ্যুট করেন।
class=”yFZkkWQr”>
যেভাবে ভিডিও তৈরিতে উৎসাহিত হয় রায়ান: ছোটবেলায় ইউটিউবে বিভিন্ন টয় রিভিউ ভিডিও দেখে উৎসাহিত হয় রায়ান। সে নিজেই মা-কে বলে, আমাকে নিয়ে তুমি ভিডিও বানাও না কেন? সেই থেকেই নতুন ভিডিও চ্যানেলের পরিকল্পনা আসে রায়ানের মায়ের মাথায়।

Comments

comments

SHARE