পৃথিবীতে অসংখ্য ধর্ম আছে।প্রত্যেক ধর্মে তার অনুসারিদের ভিন্ন ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে থাকে।যেমন হিন্দুও খ্রিস্টান ধর্মে ঘন্টা বাজায় আর ইসলাম ধর্মে আযান।এই আযান বন্ধ করার জন্য অমুসলিমরা নানা ষড়যন্ত্র শুরু করছে।তাদের অভিযোগ আযান শব্দ দূষন করে

ঘানার রাজধানী আক্রার মসজিদগুলোতে মাইকে আজান না দিয়ে মোবাইলে এসএমএস বা হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা দিয়ে নামাজের জন্য মুসল্লিদের ডাকতে বলা হয়েছে৷যদিও মুসলমানরা এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে৷সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে শব্দদূষণ কমাতে এই পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

দেশটির পরিবেশমন্ত্রী কোয়াবেনা ফ্রিম্পং-বোয়েটেং রোববার বলেন, টেক্সট কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ দিয়ে কেন নামাজের সময়সূচি জানানো যাবে না? ইমাম সবাইকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠাতে পারেন৷ এর ফলে শব্দ কমবে৷ এটি হয়তো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত মনে হতে পারে, কিন্তু এই বিষয়ে আমরা ভাবতে পারি৷

তবে আক্রার মুসলমান সম্প্রদায় সরকারের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে৷
নোরা এনসিয়াহ নামে একজন খ্রীস্টান ধর্মাবলম্বী বলেন, সকাল বেলায় মেগাফোন ব্যবহার করে নামাজের জন্য মুসলমানদের ডাকার বিষয়টিকে আমি সমস্যা বলে মনে করি না। খ্রিষ্টানদের গির্জায়ও মেগাফোন ব্যবহার করা হয়৷

আক্রার আরেক বাসিন্দা কেভিন প্র্যাটও পরিবেশমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে বলেন, সবাই সামাজিক মাধ্যমে নেই৷ এছাড়া সবাই মন্ত্রীর মতো শিক্ষিত নন যে, মোবাইল ফোনে পারদর্শী হবেন।

বিষয়টি ভবিষ্যতে আইনের আওতায় আনা হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে ঘানার সরকার৷ মসজিদ ছাড়াও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয় থেকে সৃষ্ট শব্দদূষণ কমানোরও পরিকল্পনা করছে দেশটি৷

খ্রিষ্টানপ্রধান ঘানার মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ মুসলমান৷ এর আগে রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে লাউডস্পিকার ব্যবহার করে মসজিদে আজান দেয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সে দেশের সরকার। রুয়ান্ডায় মুসলমানের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশ৷

Comments

comments

SHARE