বর্তমানে নারী রাস্তাঘাট,অফিস আদালত সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে লাঞ্চনার শিকার হচ্ছে।এর কারন হচ্ছে সামাজিক অবক্ষয়।আমরা শিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষিত হচ্ছি কিন্তু মানুষ না।আর এই জন্য আমাদের পারিবারিক শিক্ষাও প্রয়োজন।পাশাপাশি আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

 

রাজধানীর গুলিস্তান হকার্স মার্কেটে দুই বোনের শ্লীনতা হানির অভিযোগ ও পুলিশের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপের জন্য সোশাল মিডিয়াতে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে পুলিশ বাহিনী। গত বৃহষ্পতিবার(৩ মে) সানজিদা রশিদ নামে এক তরুণী তার ও তার বোনের সাথে ঘটা শ্লীলতা হানির ঘটনা ফেসবুকে শেয়ার করলে তা দ্রুত বিভিন্ন ্গ্রুপ ও পেজে ছড়িয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে পুলিশের তাৎক্ষনিক পদক্ষেপকে সবাই সাধুবাদ জানিয়েছেন। নিচে সানজিদা রশিদ এর ফেসবুক এর পোস্ট থেকে পুরো ঘটনা হুবহু তুলে ধরা হল-

এদেরকে চিনে রাখুন

আজকে গুলিস্তান হকার মার্কেট সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম হঠাৎ আমাকে দেখে তিনটি ছেলে বাজে কথা বলে আমি 1st এ বুঝি নাই পর পর তিন বার বলসে word টা “nice boobs “2nd time যখন বলছে আমি বললাম, কি বলছেন আবার বলেন তখন আমাকে বলে কিছু বলি নাই আমার আমার ফেসবুকে অনেক ফলোয়ার্স এটা নিয়ে বলছিলাম। “আমি বললাম আপনার হাতে তো কোন ফোন নাই আমার সাথে আমার কাজিনরা ছিলো এরপর আশেপাশের দোকানের মালিকরা এসে ম্যাটারটা সলভ করে দিলে আমরা যখন চলে আসি…

দুই কদম সামনে যেতে পিছন থেকে ঐ ছেলেরা বলে উঠে “খানকির বাচ্চারা চুদতে আইছে এদিকে”। এইটা শোনার পরে আমার ভাইয়েরা শুনে ওদের কাছে গিয়ে বলে কি বললি আবার বল তখন ঐ ছেলেরা বলে;” কয়ছি তো কি হয়ছে কি করবি আমগো আমরা ছাত্রলীগের নেতা কোন বালটা ফালাইতে পারবি না”…. এই কথা শুনে আমার কাজিনরা ওদের ছবি তুলতে গেলে ওরা mobile নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় তখন ঐ ছেলেরা আমার কাজিনদের বলে “তোগো সামনে তোর বোনদের গায়ে হাত দিব কিছু করতে পারবি না”এটা বলেই আমার ও আমার বোনের বুকে ও back side হাত দেয়।

আমি এইটা সহ‍্য করতে না পেরে …… ওদের বলি আমি এখন পুলিশ ডাকবো এই টা শুনে ২জন সাথে সাথে পালায় আমি ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পল্টন থানার পুলিশ সাথে সাথে চলে আসে আর ১জন ধরে নিয়ে যায় police এর এসআই ওবায়দুল sir এরপর আমি কেস ফাইল করি।

আমার কাছে ৩ ঘন্টা সময় নিল বাকি যেই ২জন পলাতক ছিল ঐ ২জন বের করার জন্য এর মধ্যে ঐ দোকান মালিক এসে আমাকে ও আমার বোনকে অনেক বুঝায় case যেন উঠাতে পুলিশ এটা শুনে বলে আপনি বেশি কথা বললে আপনার নামে মামলা দিব। এরপর police রাত ৯টার মধ্যে ঐ ২ আসামিকে ধরে নিয়ে আসে।

আর ঐ কুত্তার বাচ্চা গুলো তখন বলে আমরা তো কিছু বলি নাই আমাদের নামে যে আপনি মামলা দিবেন ভাবতে ও পারি নাই। পুলিশ ইচ্ছা মত আমার সামনে ওদের মারছে।আমার পায়ে ধরে মাফ চায় আর পুলিশ সাথে সাথে ওদের দোকান বন্ধ করে দেয় ও হাজতে ভরে।

আমি আমার বিচার পেয়েছি। ভেবেছিলাম বিচার পাবো না কিন্তু পেয়েছি।

আমি অনেক আনন্দিত। ধন্যবাদ জানাই পল্টন থানার পুলিশ কর্মকর্তাকে। আপনারা প্রতিবাদ করুন। এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। আমাদের পাশে প্রশাসন আছে ইনশাল্লাহ।

ছবি দিলাম মানুষরূপী কুত্তাগুলোর।

[ভিক্টিম সানজিদা রশিদের ফেসবুক পোস্ট থেকে] ।

 

উল্লেক্ষ্য , সানজিদা ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রী ।

Comments

comments

SHARE